পরিষ্কার লিখিত চুক্তি বেশিরভাগ বিরোধ এড়ায়। এই দশটি বিষয়ে ভাড়া, অগ্রিম, বিল, মেরামত ও বাসা ছাড়ার কথা আছে।
কেন লিখিত রাখবেন
মুখে মুখে চুক্তি সাধারণ, কিন্তু সমস্যা হলে দুজনের মনে রাখা কথা আলাদা হয়। ঢাকায় অনেক চুক্তি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প পেপারে লেখা হয় এবং দুই পক্ষ, প্রায়ই সাক্ষীসহ, স্বাক্ষর করেন। স্বাক্ষরিত একটি কপি নিজের কাছে রাখুন।
দশটি শর্ত
- মালিক ও ভাড়াটিয়ার নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও যোগাযোগের তথ্য
- সঠিক ঠিকানা, তলা এবং কী কী অন্তর্ভুক্ত: ফিটিংস, পার্কিং, আসবাব
- মাসিক ভাড়া, পরিশোধের তারিখ ও মাধ্যম
- অগ্রিমের পরিমাণ এবং তা কীভাবে ফেরত বা সমন্বয় হবে
- সার্ভিস চার্জ ও সব নিয়মিত বিল, কোনটা কে দেবে
- চুক্তির মেয়াদ এবং দুই পক্ষের নোটিশের সময়
- কখন ও কীভাবে ভাড়া বাড়ানো যাবে
- মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কে করবে, কত দ্রুত
- সাবলেট, অতিথি ও বাসায় পরিবর্তনের নিয়ম
- বাসা ছাড়ার সময় পরিদর্শন ও জামানত ফেরতের সময়সীমা
স্বাক্ষরের আগে
প্রতিটি লাইন পড়ুন, অস্পষ্ট শর্ত নতুন করে লেখাতে বলুন, এবং রং করা, মেরামত বা নতুন ফিটিংসের মতো মুখের প্রতিশ্রুতি চুক্তিতে লেখা আছে কি না নিশ্চিত করুন। দুজনেই প্রতিটি পাতায় স্বাক্ষর করুন।
কাগজপত্র একসাথে রাখুন
চুক্তি রাখুন ওঠার দিনের ছবি, ভাড়ার রসিদ ও বিল পরিশোধের প্রমাণের সাথে। পরে বিরোধ হলে এই রেকর্ডগুলোই কাজে আসে।
কখন সাহায্য নেবেন
দীর্ঘ মেয়াদি বা বাণিজ্যিক চুক্তি হলে, কিংবা কোনো শর্ত অন্যায্য মনে হলে, স্বাক্ষরের আগে আইনজীবীকে দিয়ে দেখিয়ে নিন। এই লেখা সাধারণ তথ্য, আইনি পরামর্শ নয়।
ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে আইন কী বলে পড়ুন
এগুলো সাধারণ তথ্য, কোনো বাসার সুপারিশ বা ব্যক্তিগত পেশাগত পরামর্শ নয়। উদাহরণ বোঝানোর জন্য দেওয়া; বর্তমান খরচ ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিজে নিশ্চিত করুন। টিমের সঙ্গে যোগাযোগ করুন